ভুল রাস্তার মোড়ে

 মিমিক্রি

2 Comments

লাস্ট কয়েকদিন ধরে সপ্তাহান্তের মধ্যবিত্ত বাজারের থলির মতো অনেক এলোমেলো চিন্তা আর স্মৃতি যেন উপচে পড়ছে। কিছু একটা অজানা insecurity তে সবসময় ভুগতো নদী, সুযোগ পেলেই শুধু সাম্য কে ফোন। দিনে ৪-৫ বার, বেরে সেটা প্রায় ২০-২১ ভার হয়ে গেছিল। সাম্য রেগে যেত, যে কারো রেগে যাওয়া স্বাভাবিক, অফিসে জরুরি মিটিং চলছে, তখন ফোন। বাড়িতে কাকু এসেছেন দু-বছর বাদে, তখন ফোনে কথা বলতে হবে। কিংবা রাস্তা ক্রস করছে, তখন মোবাইলে টুংটাং।

“তোর কাউন্সেলিং করানো উচিত নদী। ’’

প্রথমে শুনে রেগে গিয়েছিল ও।

“ওহ! আমি তোর বেশি খোঁজ রাখতে চাই বলে এরকম বলবি? মা-র একসময় একটু প্রবলেম হয়েছিল বলে আমিও পাগল? তোর এক্স অনেক ভালো ছিল আমার চেয়ে বল? Cheating behind your back!! সেটা অনেক ভালো, না?.. ’’ নিজের গলাটা যে কখন পাবলিক বাসে মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বুঝতে পারেনি।

“শান্ত হ । Calm down নদী। ’’  ঠাণ্ডা দৃঢ় গলায় বলে সাম্য।

চমকে ওঠে নদী। “আমি তো এরকম ছিলাম না। ’’ অস্ফুটে বলে ।

সেই শুরু, গত ৩ মাস ধরে এটাই রুটিন মোটামুটি ওদের। কোথাও একটা সমস্যা হচ্ছে। বেশ কয়েকবার অনেক কিছু বলে ফোন কেটে দিয়েছে সাম্যর মুখের ওপর ।সাম্যর চেয়ে বেটার কেউ ওকে চেনে না। খানিক পরে আবার নিজেই ঝরঝর করে কান্না।

প্রশ্নটা যে compatibility –র নয়, বুঝিয়েছে ওকে সাম্য।

পেপার টাও accepted হয়নি নদীর। এত বড় একটা আন্তর্জাতিক সেমিনার, কত আশা ছিল এতদিনের। ভীষণ খেটেছিল পেপারটা নিয়ে । বোঝাল অনেক কাল রাতে সাম্য।

এলোমেলো লাগছিল। বড্ড কান্না পাচ্ছে। ডাঃ দাসগুপ্তা বলেছেন রেগুলার ৮ ঘণ্টা ঘুমোতে। ঘুম হয়না এমনিতে নদীর।

“আমার রাত জাগা তারা, তোমার অন্য পাড়ায় বাড়ি……” বেজে ওঠে ফোন।

“হ্যালো , সাম্য? ’’ জড়ানো গলায় বলে নদী। খুব ঘুম পায় আলজোলামে।

“সাম্য… কে?”

“কে?” উঠে বসে নদী, ডাইনিং স্পেস থেকে ৩টে ঘণ্টার সুরেলা আবর্ত কে কেটে দিয়ে কোথায় একটা বেসুরো রাতচরা পাখি ডেকে ওঠে।

“ইকবাল বলছি, ভালো আছো? ’’

বিস্ফারিত ভাবে জিভ দিয়ে শুকনো ঠোঁট চাটে নদী।

“হ্যালো? ’’ ওপ্রান্তে প্রশ্ন।

“হু? আছি। আমি ভালো আছি। তুমি? ’’ সম্বিত ফেরে নদীর।

“আছি, বেশ আছি একরকম। ’’ ইকবালের গলাটা এত গম্ভীর ছিল আগে?

“ ফারিয়া ? ’’ বলেই সামলে গেল নদী।

“তুমি জানো ওর নাম? আছে, ভালোই আছে। ’’ ইকবাল এতটা মার্জিত ছিল আগে?

“ জানি। ’’ একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে এপারে, অজান্তেই।

“হুম।’’

দু প্রান্তই চুপ।

“কি করছ এখন? ’’ নিস্তব্ধতা ভেঙে অল্প জল ছলকে ওঠে নদীতে।

“নেট ক্লিয়ার করেছি এই মাসেই, ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পড়বে এবার। ’’  ডাক পড়বে? এতটা কাব্যিক ছিল ইকবাল? ফারিয়া খুব ভালো রেখেছে।

“বাহ! কনগ্র্যাটস! ’’

“থ্যাংকস।’’

ক্যালেন্ডারে হিমবাহর ছবি, বরফনদী। পাশে বাবা লাল কালি দিয়ে এমাসের ভর্তুকির গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার তারিখ টা লিখে রেখেছে।

“নদী?’’

“বলো।’’

“ পড়াশুনো কেমন চলছে? বাড়িতে এখন সব ওকে? ’’

চোখটা জ্বলছে খুব।

“কেন ফোন করেছ ইকবাল?’’

“ এমনি, কেমন আছো জানার জন্য।’’ ইকবাল ২ সেকেন্ড থেমে উত্তর দেয়।

“ সত্যি বলো ইকবাল।’’ উফ! এই কাঠখোট্টা সাম্যটার সাথে থেকে থেকে না বড় ঠোঁটকাটা হয়ে গেছে নদী। ইশ, কি ভাববে এবার?

“ উমম…মানে আসলে, তুমি সত্যি ভালো আছো নদী?’’ এতক্ষণে পুরনো এক টুকরো ছবি যেন উঁকি মারল নদীর মনে।

“আছি ইকবাল।’’

“ বয়ফ্রেন্ড?”

“ও ভালো আছে। খুব ভালো রেখেছে আমাকে। ভীষণ ভালো আছি আমি সাম্যর সাথে । ’’

“ও, যাক ভালো। ’’

“ ওকে”

“বাড়িতে জানে, দুজনেরই। আর আমার বাড়িতে সবাই ভাল আছে। সাম্যর জন্য।’’ নদী বয়ে চলে।

“গুড” এপার থেকেও যেন ইকবালের সেই শান্ত স্তিমিত হাসি টা দেখতে পায় নদী।

“নাইট” থেমে যোগ করে ইকবাল।

অস্ফুটে একটা “এখনও” বেরিয়ে আসে , নদী ফোনটা কেটে দেয়।

 

“নদী?”

“এটা কার নাম্বার, ইকবাল?’’

“আমার, নতুন। ’’

“ ও আসলে আগেরটা আমার মুখস্থ ছিল ……আছে” অস্ফুটে যোগ হয়।

“ আজ আবার ফোন করলে? ’’

“ ইচ্ছে হল, বড্ড। ’’ এটা অচেনা শব্দ, ইকবালের মুখে।

“ ইকবাল? ফারিয়ার সাথে সব ওকে তো? ’’ নদী হালকা আগ্রহ দেখায়।

“ হ্যাঁ , একদম। আই অ্যাম রিয়েলি হ্যাপি। ’’ ইকবাল অনেক বদলে গেছে। এত উৎফুল্ল , এত আবেগ কোনদিন তো! কি জানি ওই মেয়েটা কি দিয়েছে এমন। শরীর? যেই শরীরের ওপর একদিন পাগলের মত মোহ ছিল ইকবালের, কিছুই কি কোনদিন…? ছি, কিসব ভাবছে ও।

“ ইকবাল, আমি রাখছি, এই নিয়ে ৩দিন হল আজ, আমার ঘুমনো দরকার রাতে, ডক্টর বলেছেন। আমি ঘুমুচ্ছিনা জানলে সাম্য ভীষণ রেগে যাবে। ’’ নদী গম্ভীর গলায় জানান দেয়।

“সাম্য, সাম্য তোমাকে বকে না, খুব? ’’

“মোটেও না । আর এমনিতেও  দ্যাটস নান অফ ইয়োর বিজনেস। ’’ নদীর সত্যি রাগ হচ্ছে এবার।

“ ওকে, তাহলে বাই। ’’ ওপারে একটা ঘন দীর্ঘশ্বাস।

“ইকবাল, কেন? কেন? কেন করলে ওরকম? ’’ নদীর বাঁধ ভাঙল । ডান চোখটা খুব জ্বলে কাঁদলে আজকাল, কতদিন কাঁদেনি বল তো?

“তুমি কারণটা জানো, নদী। মেনে নিত না আম্মু বা আব্বা কেউই। ’’ ঠাণ্ডা গলায় উত্তর আসে।

“আম্মু?!” নদী কেমন চমকে ওঠে । ইকবাল মা বলতো তো, ওর আম্মুকে! এই নিয়ে কথাও হয়েছে ওদের সেই একদিন। কি জানি, ওটাও হয়তো একটা অভিনয় ছিল। পুরো সম্পর্কটার মতনই।

গুড নাইট ইকবাল।

“ বাই নদী। ’’

পিইইক করে ফোনটা কেটে যাওয়ার আওয়াজে কেঁপে ওঠে কেমন নদী।

 

আরও ২৪ ঘণ্টার অপেক্ষা। আবার নিশ্চয়ই আসবে ফোন। নিশ্চয়ই। ইকবাল আবার আমাকে ভুলতে পারছে না। কেমন যেন ঘোরের মধ্যে থাকে সারাদিন নদী। স্মৃতির ঘোর। সাম্যর ফোন খেয়ালই করেনি দুবার। ইকবাল। সেই ইকবাল।

সেই প্রথম ভিক্টোরিয়া, প্রথম চুমু, প্রথম আদর, প্রিন্সেপ ঘাট, প্রথম প্রেমের ইকবাল।

 

এগারোটায় সাম্য ফোন করেছিল, তাড়াতাড়ি শুয়ে পড় , একদম রাত জাগবি না, ইত্যাদি ইত্যাদি। “ আই লাভ ইউ নদী ’’-র উত্তরে আজ প্রথমবার “বাই সাম্য” ভেসে এলো।

সাম্য। অসাধারণ একটা ছেলে, সবদিক থেকে। বলে শেষ করা যাবেনা ওর গুণের লিস্টি। এখন চাকরি করে আইটি তে, কিন্ত একসময় নাট্যজগতের রীতিমত দাপুটে অভিনেতা ছিল। এখন অনিয়মিত হয়ে গেছে থিয়েটার। আর লেখকও  বটে সেই লেভেলের। এই এটুকু বয়েসেই কতকিছু অ্যাচিভ করেছে। লেখার থেকেই তো সব শুরু ওদের। নদী স্মিত হাসে। আর নদীর সবচেয়ে পছন্দের গুণ, সাম্যর দুর্দান্ত ভয়েস মিমিক্রি করার ক্ষমতা। এমন হুবহু নকল করে এক একজনের গলা, অমিতাভের টা তো পুরোপুরি । এমনিতে গলাটা মিহি, কিন্তু ফলস ব্যারিটোন টা সেরা করে কিন্তু সাম্য। গানটাও ভালো গায়, একটা মাঝারি বাজেটের বাংলা আর্ট ফিল্মে , পরিচালক ওর বন্ধুস্থানীয় ,একবার একটা রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়েছিল, অনেকদিন বিগ বি তকমা পিছু ছাড়েনি। নদী হাসে, আপনমনে ।

“ওগো নদী আপনবেগে পাগলপারা …’’ মাতলার তীরে সাম্য শুনিয়েছিল ওকে।

কত ভাল সাম্য। কোন তুলনা হয় ওই স্বার্থপর , সমাজভীরু, শরীরসর্বস্ব  ছেলেটার সাথে। তবু কেন পিঠের পুরনো ক্ষতটার মতো ইকবাল থেকে এখনও রক্তক্ষরণ হয়?

১ টা।

২টো ।

৩ টে।

ঘুম নেই নদীর চোখে আজ। ওষুধ খায়নি আজও, কালকের মতই।

কিন্তু ফোন এলো না তো? ৩ টে তো বাজে! ইকবাল তবে আর করবে না? ইস, কেন যে বলতে গেল ওভাবে ? শুধুই তো বন্ধুত্ব এখন ওদের মধ্যে, ইস, সেটাও নষ্ট করল, জেনেবুঝে।

আবার সেই অবিন্যস্ত ভাবটা গ্রাস করছিল নদীকে। কি করবে? বালিশে মুখ গুঁজে আবার সেই ভাঙা চিৎকার। আবার সেই শ্বাসকষ্ট , ইনহেলার। সাম্যকে কল করবে? করল , দুবার রিং হতেই কেটে দিল। না আজকে নয়। আজকে আবার নদী পুরনো ফ্রেম গুলোকে জীবন্ত করে তুলবেই একটা একটা করে ছুঁয়ে । সাম্যর অধিকার নেই সেখানে।

৩-৩৫। মোবাইলের আলোয় চোখে খানিক ধাঁধাঁ লাগে নদীর, অন্ধকারে। টেবিলল্যাম্প টা জ্বেলে ড্রয়ার হাতড়ায়ে, খেয়েই নেব অ্যালজোলাম, মানে হয়না এসব অতীতকে প্রশ্রয় দেওয়ার, এক্ মুহূর্তের জন্য মনে হয় লুকিয়ে কেনা Marlboro-র প্যাকেটটা পাওয়া অবধি। সাম্য প্রমিস করিয়ে ছাড়িয়েছিল নেশা টা।

একটার পর একটা। অনেকদিন বাদে আজ “নদী আপনবেগে পাগলপারা” … জল শুকিয়ে গাল গুলো কেমন চিটচিট করছে।

আর নয়।

মোবাইলটা কাছে টেনে নিয়ে নদী আগের রাতের কললিস্ট ঘাটে।

 

“নদী? তুমি?’’ ঈষৎ জড়ানো আর চমকে যাওয়া গলায় ইকবাল বলে।

“আজ ফোন করনি কেন ইকবাল? ’’

“মানে, আর কি, তুমি কাল ওরকম বললে…”

নদী ইকবালের কথা কেড়ে নিয়ে বলতে থাকে “তো? তার মানেই সেটা সত্যি? তুমি সত্যি একটুও কি কোনদিন বুঝেছিলে আমাকে ইকবাল? একটুও? ’’

নিস্তব্ধতার একটা অদ্ভুত দোষ আছে, পিন, ঘড়ি নয়, নিজের অবিশ্বাস্য হৃদস্পন্দনেরও জানান দিয়ে দেয়।

“কি চাও ইকবাল? সত্যি করে বলো! ’’

“নদী, সত্যিটা শুনবে?

“বল”

“ তোমাকে চাই, তোমার শরীরটাকে শুধু। চাই, আরেকবার, বারবার। আমি ভুলতে পারছিনা ওগুলো শুধু । এখনও তোমার ওই ছবিগুলো; ছবিগুলো নিয়ে আমি fantasize করি…’’

“ কাল বিকেল ৪টে, প্রিন্সেপ ঘাটের সেই জায়গাটার সামনে। ’’ দৃঢ় গলায় বলে নদী কেটে দেয় ফোনটা।

এবার ঘুমোবে ও। ওষুধ ছাড়াই।

 

নীল সালওয়ার কামিজটা, ওদের, ওর আর ইকবালের প্রথম দেখা হওয়ার দিনের…আর একটা ছোট ব্যাগ হাতে।  নদী ঘড়ির দিকে তাকায় বারবার হাঁটতে হাঁটতে।

 

ইকবাল কোনদিন তো লেট করত না। ভীষণ স্বভাববিরুদ্ধ এটা ওর। আজ আসবেই ও, নদী জানে। সেই কবে যেন? কেমিস্ট্রি পরীক্ষার দিন লাস্ট দেখা হয়েছিল। তারপর দূর থেকে যতবারই দেখেছে, ইকবাল সরে গেছে আড়ালে।

সারাদিন সাম্যর ফোন ধরেনি নদী। আজকের দিনটা শুধু ওর, নিজের।

 

“সাম্য?! তুমি? এখানে কি করছ? ” নদী দূর থেকেই চিৎকার করল, চেনা অবয়বটা unexpected জায়গাটায় দেখতে পেয়ে ।

“এই জায়গাটায়? মানে? তুমি ?!কি হচ্ছে টা কি এসব?”

সাম্য কি কাঁদছে? চশমার পেছনে চোখ পুরো ঘোলাটে। “নদী, ভাবিনি এরকমটা করবি শেষে!’’ সাম্যর গলা ধরে আসে।

কি করে জানলো এসব কিছু মাথায় নেই আর নদীর। সাম্য? ওর সাম্য ? কাঁদছে? আজ ওর জন্য?

“সাম্য!! শোনো আমার কথাটা প্লিজ হিয়ার মি আউট ফার্স্ট।’’ নদীও আজ উথালপাথাল।

ঢেউ গুনছে একটা কাপল, অদূরেই ।

“নদী, আমার বোঝার আর কিছু নেই রে, একটা ছোট্ট টেস্ট করেছিলুম জাস্ট , ভেবেছিলুম তুই পাশ করবি, তাই করেওছিলিস, কেন ফোন করলি আবার কাল রাত্রে? কেন? ছি নদী! পারলি তুই কি করে এটা?

“টেস্ট? মানে?’’ নদী কেমন আনমন   হয়ে যায়।

“ইকবাল নয়, ফোনগুলো আমি করতাম। তোর ফোনে একবার ইকবালের কয়েকটা whatsapp record পেয়েছিলাম, তুই ভুলেই ডিলিট করিসনি জানি। ওটা থেকে গলাটা রপ্ত করে… তুই ওষুধের ঘোরে অত বুঝিসনি …কিন্তু নদী তুই এটা? ……”

 

“কী??? সাম্য? তুমি? ’’ ঝড়ের আগের মুহূর্তের থমথমে স্তব্ধতার মধ্যে নদী ব্যাগ থেকে ২ টো ছিঁড়ে টুকরো করা চিঠি, আর আধপোড়া বেশ কয়েকটা ছোট জিনিস বের করে করে ছুঁড়ে ফেলতে থাকে সাম্যর পায়ের দিকে। শেষে একমুঠো ছাই বের করে হাওয়ায় ভাসতে দেয়।

“ইকবালের মুখের ওপর এগুলো ছুঁড়ে দিতে এসেছিলাম সাম্য। আর ওর এই অনেকদিনের প্রাপ্যটা। ”

একটা সপাটে চড় এসে পড়ে সাম্যর গালে। নদী হাঁপাচ্ছে ।

“নদী আর ইউ ওকে?’’ সাম্য শকটা সামলে উঠে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

“আই উইল বি। ”

দাঁতে দাঁত চেপে সাম্যর দিকে পেছন ফিরে হাঁটতে শুরু করে নদী। আজ অনেক ওষুধ খাওয়ার আছে। অনেক।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

2 thoughts on “ মিমিক্রি

  1. ❤ ending ta ❤
    Soooooo good!

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s